চ্যাম্পিয়নস লিগে রাউলকে ছুঁলেন এমবাপে, রিয়ালের জয়
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচে গোল করে প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ৭১ গোল নিয়ে রাউল গনসালেসকে ছুঁয়ে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপে। পাশাপাশি এটি ছিল থিয়াবো কোর্তোয়ার শততম ম্যাচ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে গত ৮ সেপ্টেম্বর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলান। রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দর্শকদের নজর কেড়েছে।
ম্যাচটির শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল মাদ্রিদ। নির্ধারিত এই ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন কিলিয়ান এমবাপে। ইন্টার মিলানের রক্ষণভাগ ভেদ করে বল জাލ পাঠিয়ে রিয়ালকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে ম্যাচটিতে রিয়াল মাদ্রিদ চালকের আসনে চলে যায়।
এই গোলের সুবাদে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এক দারুণ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কিলিয়ান এমবাপে। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউল গনসালেসকে ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।
রেকর্ড গড়ার পথে এমবাপের বয়স ছিল ২৭ বছর। চ্যাম্পিয়নস লিগে তার ৭১তম গোলটি পূর্ণ করতে মোট ৯৯টি ম্যাচ লেগেছে। অপরদিকে, কিংবদন্তি রাউল গনসালেসের সমপরিমাণ ৭১টি গোল করতে ১৪২টি ম্যাচ লেগেছিল। অর্থাৎ রাউলের তুলনায় অনেক কম ম্যাচেই এই মাইলফলকে পৌঁছলেন এমবাপে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের এই ঐতিহাসিক তালিকায় এমবাপের ওপরে থাকা অন্য তারকাদের গোল সংখ্যাও বেশ সমৃদ্ধ। এই তালিকায় করিম বেনজেমার গোল ৯০টি, রবার্ট লেভানডোভস্কির গোল ১০৯টি, লিওনেল মেসির গোল ১২৯টি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোল ১৪০টি।
ইন্টার মিলানের বিপক্ষে এই ম্যাচটি কেবল এমবাপের জন্যই নয়, রিয়াল মাদ্রিদের গোলরক্ষক থিয়াবো কোর্তোয়ার জন্যও ছিল একটি বিশেষ মাইলফলক। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে থিয়াবো কোর্তোয়ার ১০০তম উপস্থিতি পূর্ণ হয়েছে, যা তার বর্ণিল ক্যারিয়ারে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।
ম্যাচের অন্যান্য সময়ে দুই দলই গোলের জন্য লড়াই চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর রিয়াল মাদ্রিদ ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ৮ সেপ্টেম্বরের এই রাতে এমবাপের রেকর্ড স্পর্শ করা এবং কোর্তোয়ার সেঞ্চুরি পূর্ণ করার মধ্য দিয়ে ম্যাচটি স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।








