চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে এনইউএস, এআই কোর্স বাধ্যতামূলক
এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (এনইউএস) শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সুযোগ চালু করতে যাচ্ছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব নবীন শিক্ষার্থীর জন্য জেনারেটিভ এআই বিষয়ক একটি কোর্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (এনইউএস) তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সুযোগ চালু করছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব নবীন শিক্ষার্থীর জন্য জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে একটি মৌলিক কোর্স সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোয়াকুয়ারেলি সাইমন্ডস র্যাংকিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তিগত শিক্ষায় এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে।
ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই যুগান্তকারী উদ্যোগটি পুরোপুরি কার্যকর হবে। এই শিক্ষাবর্ষ থেকেই এনইউএসের প্রথম বর্ষের সব স্নাতক শিক্ষার্থীকে একটি সুনির্দিষ্ট কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। কোর্সটির নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘THE1008 Applied Generative AI: From Prompting to Evaluation’।
শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দক্ষ করে তুলতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রম্পটিং থেকে শুরু করে মূল্যায়ন পর্যন্ত জেনারেটিভ এআইয়ের বিভিন্ন দিক হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবেন। উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ব্যবহার এবং এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতেই এই বাধ্যতামূলক কোর্স চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১১ আগস্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের সঙ্গে একটি বিশেষ অংশীদারত্বের ঘোষণা দেয় এনইউএস। এই অংশীদারত্বের ফলেই মূলত শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগতভাবে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সুযোগ লাভ করছেন, যা তাদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির এই পদক্ষেপে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এনইউএসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এনইউএসের কার্যক্রমে এআই ক্রমেই যুক্ত হওয়ায় এটি বড় পরিসরে এবং টেকসইভাবে ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিঙ্গাপুরের এই শীর্ষ বিদ্যাপীঠের এমন পদক্ষেপে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








