গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ে রিহ্যাব ও ল্যান্ড ডেভেলপারদের সভা
রাজধানীর সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে। সভায় ভবন নির্মাণ বিধিমালা এবং ক্রেতাদের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় আইন মেনে ভবন নির্মাণ ও ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষার তাগিদ দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেছে। ২৩ আগস্ট ঢাকার সচিবালয়ে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আবাসন খাতের বিভিন্ন দিক, ভবন নির্মাণ বিধিমালা এবং সাধারণ ক্রেতাদের নানা অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় সংশ্লিষ্ট সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে জাকারিয়া তাহের, আহম্মদ সোহেল মনজুর, মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল মতিন অংশ নেন। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই বৈঠকে আবাসন খাতের সুশাসন ও গ্রাহক ভোগান্তি নিরসনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
বৈঠকে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে জাকারিয়া তাহের বলেন, "রিহ্যাব এবং বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সচেতন হতে হবে, আইন ভঙ্গ করে যেন কোনো ভবন বা আবাসন গড়ে না ওঠে।" আবাসন ব্যবসায়ীদের আইন মেনে চলার জন্য আহ্বান জানান তিনি।
গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ এবং ভোগান্তির বিষয়টি সভায় বিশেষভাবে আলোচিত হয়। এই বিষয়ে আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, "অনেক মানুষ বছরের পর বছর আগে টাকা পরিশোধ করেও তাদের কাঙ্ক্ষিত ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট বুঝে পাচ্ছেন না। আবার অনেকে কোনো কারণে চুক্তি অনুযায়ী কিস্তি চালিয়ে যেতে না পারায় তাদের জমা টাকা তিন-চার বছর ধরে ফেরত পাচ্ছেন না। তাদের বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।"
গ্রাহকদের হয়রানি কমাতে এবং সেবার মান বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। এর অংশ হিসেবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও নকশা অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়াটি শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া আবাসন খাতের সামগ্রিক শৃঙ্খলার স্বার্থে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিধিমালা সংশোধন করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতায় আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।








