খোলা বাজারে ডলারের নতুন দাম নির্ধারণ করল এমসিএবি
মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) খোলা বাজারে প্রতি ডলারের নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতি ডলার ক্রয় ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং বিক্রি ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

দেশের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের নতুন বিনিময় হার নির্ধারণ করেছে মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন দর ঘোষণা করা হয়। নতুন নির্ধারিত এই হার অনুযায়ী, এখন থেকে খোলা বাজারে প্রতি ডলার ক্রয় করা হবে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় এবং বিক্রি করা হবে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায়।
২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখের এই সংবাদ সম্মেলনে মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)-এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এমসিএবির সভাপতি এম এস জামান এবং সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে। তাদের উপস্থিতিতেই খোলা বাজারের জন্য ডলারের এই নতুন ক্রয় ও বিক্রয়মূল্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ডলারের নতুন দর নির্ধারণের নেপথ্য কারণ ব্যাখ্যা করেন মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)-এর সভাপতি এম এস জামান। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকেই ডলারের এই দর নির্ধারণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত এই নতুন দর সংগঠনের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের সব মানি চেঞ্জারকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় ডলার বাজারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে এম এস জামান ব্যাংকগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, ডলারের বাজারে অনৈতিক কারসাজির দায় মানি চেঞ্জারদের নয়, বরং এটি ব্যাংকগুলোর। মানি চেঞ্জার খাতের পরিধি অত্যন্ত সীমিত উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, এই খাতের পক্ষে বাজার ম্যানিপুলেট করা বা কোনো ধরনের ‘গেম’ খেলার কোনো সুযোগ বা সক্ষমতা নেই।
প্রবাসীদের কষ্টের উপার্জিত অর্থের বিষয়েও সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন এমসিএবির সভাপতি এম এস জামান। তিনি জানান, প্রবাসীরা তাদের কষ্টের উপার্জনের নগদ অর্থ যখন দেশে নিয়ে আসেন, তখন মানি চেঞ্জাররা তা কিনে বৈধ ধারায় নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে মানি চেঞ্জাররা পরোক্ষভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে থাকে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন।








