কোচিংয়ে এলিটা কিংসলে, চট্টগ্রাম সিটির দায়িত্বে নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের ফুটবলে খেলোয়াড়ি অধ্যায় পেরিয়ে এবার কোচিং পেশায় যুক্ত হলেন এলিটা কিংসলে। ঘরোয়া ফুটবলের নবাগত দল চট্টগ্রাম সিটি এফসিতে সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এএফসি সি লাইসেন্সধারী এই ফুটবলার এখন দলকে এগিয়ে নিতে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টার কথা জানিয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের ফুটবলে দীর্ঘ সময় ধরে খেলে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠা এলিটা কিংসলে এবার নতুন এক অধ্যায় শুরু করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে তিনি এখন কোচিং পেশার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঘরোয়া ফুটবলের নবাগত দল চট্টগ্রাম সিটি এফসিতে সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।
এলিটা কিংসলের বাংলাদেশ যাত্রার সূচনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ওই বছর তিনি বাংলাদেশে এসে পেশাদার ফুটবল খেলা শুরু করেন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি দেশের ঘরোয়া ফুটবলে টানা ১০ বছর খেলেছেন। এই দীর্ঘ ক্যারিয়ারের একপর্যায়ে তিনি বাংলাদেশের হয়ে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলারও সুযোগ পান।
খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত জীবনেও বাংলাদেশের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত হয়েছেন। তিনি এক বাঙালি মেয়ে লিজাকে বিয়ে করেন এবং পরবর্তীতে আইনগতভাবে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব লাভ করেন। বাংলাদেশেই থিতু হয়ে তিনি ফুটবলের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা বজায় রেখেছেন।
বাংলাদেশের ফুটবলে নিজের অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে তিনি কোচিংয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছেন। এলিটা কিংসলে বর্তমানে এএফসি সি লাইসেন্সধারী একজন কোচ। এই লাইসেন্স অর্জনের মাধ্যমেই তিনি পেশাদার কোচিং জগতে প্রবেশ করার যোগ্যতা অর্জন করেন।
চট্টগ্রাম সিটি এফসির বর্তমান দল পরিচালনা ও অনুশীলনের বিষয়ে দলটির কর্মকর্তা নাজিম উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, "আমাদের চিলি থেকে কোচ আসার আগে কিংসলে অনুশীলন করাচ্ছেন। আপাতত তাকে ঘিরেই দল মাঠে আছে।" অর্থাৎ, বিদেশি মূল কোচ আসার আগপর্যন্ত কিংসলের ওপরই দলের অনুশীলনের বড় দায়িত্ব ন্যস্ত রয়েছে।
পেশাদার লিগে নিজের নতুন এই ভূমিকা নিয়ে এলিটা কিংসলে নিজেও বেশ আশাবাদী ও উচ্ছ্বসিত। নিজের নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, "হ্যাঁ, আমি পেশাদার লিগে কোচ হয়ে কাজ শুরু করেছি। চেষ্টা করবো নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে।"
২০১১ সাল থেকে শুরু হওয়া তার দীর্ঘ ফুটবলযাত্রার পর চট্টগ্রাম সিটি এফসির সহকারী কোচ হিসেবে এই নতুন পথচলা বাংলাদেশের ফুটবলে তার দীর্ঘস্থায়ী অবদানকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। নবাগত এই দলটিকে সাফল্য এনে দিতে এখন তিনি মাঠের বাইরে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।








