কৃষিতে যুবশক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন উদ্যোগ
২০২০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে কৃষিতে যুবশক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইএমএফের বিশ্লেষণ অনুযায়ী কৃষিতে কর্মসংস্থানের অংশ বেড়েছে এবং জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণীত হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে কৃষিতে যুবশক্তি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নানা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২০ থেকে ২০২৬ সাল সময়কালে দেশের কৃষিখাতে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের ২০২৬ সালের বিশ্লেষণে একটি ইতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। এই বিশ্লেષণে দেখা যায় যে, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কৃষিতে কর্মসংস্থানের অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
কৃষি খাতকে আরও গতিশীল ও যুববান্ধব করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও নানাবিধ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। এই নীতিমালা দেশের তরুণ সমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে।
নীতিমালা প্রণয়নের ধারাবাহিকতায় এর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ২০২৬ সালে জাতীয় যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন নীতিমালার জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে যুবসমাজকে কৃষিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রমে আরও বেশি মাত্রায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে যুবশক্তির অবদান বাড়াতে এবং বেকারত্ব দূর করতে কৃষিখাত এক নতুন সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতি ও কর্মপরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে যুব উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আইএমএফের প্রতিবেদনে কৃষিতে কর্মসংস্থানের যে বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তা মূলত দেশের তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ এবং সরকারের সময়োপযোগী নীতিগত উদ্যোগেরই ফল। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষিখাত কর্মসংস্থানের এক বিশাল ক্ষেত্রে পরিণত হবে।








