কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিষিদ্ধ ও সরকারি মালিকানার প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর বার্নি সান্ডারস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুপারইন্টেলিজেন্স নিষিদ্ধ করতে আইন আনার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ অংশীদারত্বসহ একটি সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠনের প্রস্তাব করেছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪:৩২· ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন এক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সিনেটর বার্নি সান্ডারস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুপারইন্টেলিজেন্স নিষিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি আইন প্রবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
এই আইন প্রণয়নের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অতিউন্নত স্তর বা সুপারইন্টেলিজেন্সের বিস্তার রোধ করতে চায়। প্রযুক্তি খাতের অতিদ্রুত বিকাশ এবং এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে, ঠিক তখনই সিনেটর বার্নি সান্ডারসের এই কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা এল।
আইনি নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবের পাশাপাশি সিনেটর সান্ডারস একটি সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠনেরও প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। এই প্রস্তাবিত তহবিলের আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোতে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারত্ব বা স্টেক গ্রহণ করবে।
মার্কিন কংগ্রেসে এই প্রস্তাবগুলো কীভাবে গৃহিত হবে এবং তা দেশটির প্রযুক্তি খাতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিবিসি নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই খবরাখবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে মার্কিন সরকারের বিনিয়োগের বিষয়টি নিয়ে এর আগেও দেশটির শীর্ষ মহলে আলোচনা হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানিগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বিনিয়োগের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার পক্ষে মত দিয়েছেন, যা মার্কিন সাধারণ জনগণের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি অংশীদারিত্ব বা যৌথ অবস্থান তৈরি করবে। মার্কিন প্রশাসন ও আইনপ্রণেতাদের এই বহুমুখী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।








