কুড়িগ্রামে গুদাম থেকে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকেরা গুদাম থেকে ১৯৫ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দেশজুড়ে সারসংকট ও প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে ২৩ আগস্ট এই ঘটনা ঘটে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কৃষকদের একটি গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ২৩ আগস্ট শিলখুড়ি ইউনিয়নে এই ঘটনাটি ঘটে। দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন সারসংকট ও প্রতিবাদ চলছে, ঠিক সেই সময়ে এই ঘটনাটি সামনে এল।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকেরা গুদাম থেকে মোট ১৯৮ বস্তা সার নিয়ে গেছেন। এ ঘটনার সময় ডিলারের গুদাম খালি থাকার কথা বলা হলেও, বাস্তবে খোলাবাজারে ঠিকই বেশি দামে সার পাওয়া যাচ্ছিল। এই অসঙ্গতির কারণেই কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সারসংকটের এই বিষয়টি কেবল ভূরুঙ্গামারীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা দেশজুড়ে সারসংকট ও প্রতিবাদের রূপ নেয়। কৃষকদের অধিকার ও সংকটের ইতিহাস প্রসঙ্গে ই পি থম্পসন এবং জেমস সি স্কটের মতো বিশিষ্ট তাত্ত্বিকদের প্রসঙ্গও সামনে আসে, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রতিরোধকে নির্দেশ করে।
এর আগে ১৯৯৫ সালে গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জে ন্যায্য দামে সার পাওয়ার দাবিতে কৃষকদের একটি বড় আন্দোলন হয়েছিল। সে সময় কৃষকদের সেই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল, যা দেশের কৃষক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি বড় ক্ষত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
বর্তমান ভূরুঙ্গামারীর ঘটনার পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সার ও বিদ্যুৎ নিয়ে অসন্তোষ দেখা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ-সংকটের অবসান এবং সার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালিত হয়।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের উদ্যোগে পিপুলবাড়িয়া বাজারে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। এই সমাবেশে বিদ্যুৎ-সংকটের অবসান এবং সার সরবরাহ নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানানো হয়।
তবে পিপুলবাড়িয়া বাজারে আয়োজিত ওই সমাবেশে হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর ঘটনা এবং দেশজুড়ে চলা সারসংকট ও এর প্রতিবাদ বর্তমান সময়ে গ্রামীণ জনপদে তীব্র অসন্তোষের চিত্রই তুলে ধরেছে।








