কুবি বাসে আসন দখল ও অনিয়ম রোধে আসছে বাস কার্ড
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে আসন দখল ও নানা অনিয়ম রোধে বাস কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সুশৃঙ্খল করতে খুব শীঘ্রই সব বিভাগে চিঠি পাঠানো হবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে পরিচালিত বাসে বিভিন্ন ব্যক্তিগত সামগ্রী রেখে আসন রিজার্ভ করে রাখার দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতি ও বিভিন্ন অনিয়ম রোধ করতে এবার কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে বাস কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য মোট ২৫টি বাস রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২টি নীল বাস, তিনটি মিনিবাস এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) থেকে ভাড়া নেওয়া ১০টি বাস। এতগুলো বাস দিয়ে সেবা দেওয়া হলেও বাসের আসন দখল নিয়ে বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখা যেত।
শিক্ষার্থীদের পরিবহনসেবা আরও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যে পরিবহন পুল এই বাস কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, কার্ড চালু হলে কোনো শিক্ষার্থী আর অতিরিক্ত সিট দখল করে রাখতে পারবেন না।
মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া আরও জানান, বোতল, পাতা, কলম, পলিথিনসহ বিভিন্ন জিনিস রেখে সিট ধরে রাখার প্রবণতা এই কার্ড চালুর মাধ্যমে পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে। একই সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন—এমন যাত্রীদের বাসে ওঠা নিয়ন্ত্রণেও এই উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুল করিম জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে উপ-উপাচার্যের সঙ্গে পরিবহন পুলের সদস্যসচিবকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিষয়ে একটি নোটিশও ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রস্তুতকৃত এই নোটিশটি প্রথমে ডিনদের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুল করিম। পরবর্তীতে ডিনরা নিজ নিজ অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং চেয়ারম্যানদের মাধ্যমেই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
খুব শিগগিরই এই বাস কার্ড চালুর ব্যবস্থা করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুল করিম। তিনি জানান, সামনের সপ্তাহেই বাস কার্ড চালুর বিষয়ে সব বিভাগে চিঠি পাঠানো হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হবে, তারা যেন মাথার ক্লিপ, মোবাইলের কাভার, ভাঙা বোতল, কাঁচি কিংবা এ ধরনের কোনো সামগ্রী দিয়ে বাসের আসন দখল করে না রাখেন।








