এসএসসি পাসের পর ১০ ডিপ্লোমা ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ
এসএসসি পাসের পর শিক্ষার্থীরা কারিগরি, কৃষি, স্বাস্থ্য ও ব্যবসাভিত্তিক বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে কৃষি, ফিশারিজ, ফরেস্ট্রি, সার্ভেয়িং ও নার্সিংসহ মোট ১০টি ভিন্ন বিকল্প। ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি পাসের পর ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে রয়েছে এক বিশাল সুযোগ। এসএসসি পাসের পরই কারিগরি, কৃষি, স্বাস্থ্য ও ব্যবসাভিত্তিক বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে অধ্যয়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভবিষ্যৎ সুদৃঢ় করতে পারেন। এই বহুমুখী শিক্ষার পথ শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
শিক্ষার্থীদের জন্য এমন ১০টি ভিন্ন বিকল্পের কথা তুলে ধরেছেন ফয়সাল হাবিব। জাগো নিউজ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে জানানো হয় যে, কৃষি, ফিশারিজ, ফরেস্ট্রি, সার্ভেয়িং, লাইভস্টক, পলিটেকনিক, ম্যাটস, প্রিন্টিং, বিএমটি বা ডিপ্লোমা ইন কমার্স এবং নার্সিং ডিপ্লোমা মিলিয়ে মোট ১০টি বিকল্প রয়েছে।
এই ১০টি ভিন্ন ডিপ্লোমা ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগের মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো কৃষি শিক্ষা। কৃষি, ফিশারিজ, ফরেস্ট্রি, সার্ভেয়িং, লাইভস্টক, পলিটেকনিক, ম্যাটস, প্রিন্টিং, বিএমটি বা ডিপ্লোমা ইন কমার্স এবং নার্সিং ডিপ্লোমার মতো বিষয়গুলো তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ করে তুলতে সহায়তা করে।
কৃষি শিক্ষার প্রসারে দেশে ১৮টি সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কৃষির ওপর উন্নত ধারণা ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হয়। তবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি অন্যতম।
কৃষি শিক্ষার একটি অন্যতম জনপ্রিয় কোর্স হলো ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার। এই কোর্সটি চার বছর বা আট সেমিস্টারের হয়ে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি এই শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীরা কৃষি খাতের বিভিন্ন আধুনিক দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান লাভ করার সুযোগ পান।
কৃষি ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে ফরেস্ট্রি বা বনভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ। বন অধিদপ্তরে ফরেস্টার পদে ৩৮২ জন নিয়োগের বিষয়টিও এই খাতের কর্মসংস্থানের পরিধিকে নির্দেশ করে। ফলে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ পান।
সামগ্রिकভাবে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবং ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটসহ দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা তরুণদের বেকারত্ব দূর করতে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সহায়তা করছে। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ভূমি মন্ত্রণালয়, গণপূর্ত, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও বন অধিদপ্তরের মতো বিভিন্ন খ-সং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতেও এসব শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।








