এলএনজি আমদানির অনুমোদন ও সার কারখানার কারিগরি সহায়তা নিশ্চিত
১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে সরাসরি ক্রয় ও আন্তর্জাতিক কোটেশনে ১৫ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার জন্য কারিগরি সহায়তা নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ঢাকায় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে দেশের জ্বালানি খাত ও সার উৎপাদনের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহের মাধ্যমে আরও ১ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে এই এক কার্গো এলএনজি কেনা হবে।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে সংগৃহীত এলএনজি প্রতি ইউনিটের দাম পড়বে ২৩ দশমিক ৯৩ মার্কিন ডলার (এমএমবিটিইউ)। এর আগে গত এপ্রিলে প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ১৩ দশমিক ৫৬ ডলার।
বৈঠকে জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি শিল্প খাতের উৎপাদন সচল রাখার বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানার নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে জাপানের মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজের কাছ থেকে এক বছরের জন্য কারিগরি সহায়তা নেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এই কারিগরি সহায়তা বাবদ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।








