এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াংয়ের বাংলাদেশ সফর সমাপ্ত
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াংয়ের পাঁচ দিনের বাংলাদেশ সফর শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই সফর সমাপ্ত হয়। সফরকালে তিনি সরকারের মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং বাংলাদেশে তাঁর পাঁচ দিনের সফল সফর শেষ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এই সফর সমাপ্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সফরে তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন।
সফরকালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এর অংশ হিসেবে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্ভাব্য প্রকল্প কর্মসূচি চিহ্নিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সফরকালে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই পক্ষের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
সফরের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে আইজিএনডি-বিষয়ক একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ওই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিবির দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং। সেমিনারে তিনি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে ইংমিং ইয়াং বলেন, "বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বেসরকারি বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা এবং অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা জোরদারের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে।" দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের অন্য একটি অংশে তিনি আঞ্চলিক সংযোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, "এই উদ্যোগ দেশের বিভিন্ন প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র, বাজার এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক মূল্যশৃঙ্খলের মধ্যে সংযোগ জোরদার করতে পারে।" তাঁর এই বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ গুরুত্ব লাভ করেছে।
সব মিলিয়ে ইংমিং ইয়াংয়ের এই পাঁচ দিনের বাংলাদেশ সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সফরে চিহ্নিত এক বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্ভাব্য প্রকল্প কর্মসূচি এবং তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য ভবিষ্যতের সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








