একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
প্রখ্যাত লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫। ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোর জেলার সিংড়া থানার শাওল গ্রামে জন্ম নেওয়া এই গুণী শিল্পী দীর্ঘ দিন কিডনি জটিলতায় ভোগার পর মারা যান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, প্রখ্যাত লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। কুষ্টিয়া ও দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাঁর চলে যাওয়ার পর এক বছর পূর্ণ হলো আজ। দীর্ঘ দিন কিডনি জটিলতায় ভোগার পর তিনি মারা যান।
ফরিদা পারভীন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোর জেলার সিংড়া থানার শাওল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব, শিক্ষা এবং জীবনের শুরুর দিকটা নাটোরের সেই অঞ্চলেই গড়ে উঠেছিল, যা পরবর্তীতে তাঁর সংগীত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
সংগীত জগতে তাঁর অনন্য অবদানের জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা লাভ করেন। বাংলা গান ও বিশেষ করে লালন সাঁইয়ের গান মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
শিল্পকলায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৭ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। এটি ছিল তাঁর দীর্ঘ সংগীত জীবনের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক, যা তাঁকে দেশজুড়ে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্রের গানেও তাঁর অনন্য কণ্ঠস্বর ও গায়কী শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেয় এবং বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায়।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তাঁর সুখ্যাতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৮ সালে তিনি জাপান সরকারের সম্মানজনক 'ফুকুওকা এশিয়ান কালচার প্রাইজে' ভূষিত হন।
আজ তাঁর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে কুষ্টিয়া সহ গোটা দেশের সংস্কৃতিপ্রেমীরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন। তাঁর রেখে যাওয়া গান ও সুরের ধারা আজও বাঙালি সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ হয়ে বেঁচে আছে।








