এআই অ্যাপে ছবি আপলোডে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
প্রচলিত বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই অ্যাপে ছবি আপলোড করার ক্ষেত্রে মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মুখের ছবির পাশাপাশি মেটাডেটা ও লোকেশনসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্রচলিত বিভিন্ন এআই অ্যাপে ছবি আপলোড করার ক্ষেত্রে মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকিগুলো বিশেষভাবে সামনে এসেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রচলিত বিভিন্ন এআই অ্যাপে ছবি আপলোড করলে কেবল মুখের ছবিই নয়, এর পাশাপাশি মেটাডেটা, লোকেশন এবং আশপাশের প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রের তথ্যও সরাসরি সার্ভারে সংরক্ষিত হয়ে যায়।
মানুষের মুখের জৈবিক বা বায়োমেট্রিক গঠন স্থায়ী প্রকৃতির হওয়ায় বায়োমেট্রিক তথ্য বেহাত হওয়াকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ধরনের তথ্য একবার হাতবদল বা ফাঁস হলে তা দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা সংকটের জন্ম দিতে পারে।
ব্যবহারকারীরা অনেক সময় মনে করেন অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললে সব তথ্য ডিলিট হয়ে যায়। তবে বাস্তবে ব্যবহারকারী অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট মুছে ফেললেও ব্যাকআপ সার্ভারে ছবি থেকে যাওয়ার বড় ধরনের ঝুঁকি থেকেই যায়।
এই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ব্যাংক কার্ডের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল নথির ছবি কোনো অবস্থাতেই এআই টুলে আপলোড না করার কঠোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বজায় রাখতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ অ্যাপ ব্যবহারে প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।








