এআইপ্রযুক্তিরপ্রভাবেকমছেতরুণদেরপ্রবেশপর্যায়েরচাকরি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের প্রভাবে কর্মসংস্থানের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের চাকরি বাড়লেও তরুণ ও জেন–জি কর্মীরা এআই নিয়ে তুলনামূলক বেশি উদ্বিগ্ন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের বাজারে। এর ফলে চাকরির ধরন বদলাচ্ছে এবং বিভিন্ন প্রজন্মের কর্মীদের মধ্যে এআই নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গ্লাসডোরের গবেষণায় দেখা গেছে, ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়র্সী কর্মীরা এআই নিয়ে তুলনামূলক বেশি ইতিবাচক এবং তরুণ বা জেন–জি কর্মীরা এআই নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন।
গ্লাসডোরের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, জেন এক্সের প্রায় অর্ধেক কর্মী প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের বিষয়ে ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন। বিপরীতে, জেন–জি কর্মীদের প্রায় এক–তৃতীয়াংশ কর্মী এআইকে ইতিবাচকভাবে দেখেন না। অর্থাৎ বয়স্ক ও অভিজ্ঞ কর্মীদের তুলনায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা কাজ করছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় বলা হয়েছে, এআইয়ের প্রভাবে তরুণদের প্রবেশ পর্যায়ের চাকরি কমে যাচ্ছে। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, এআইয়ের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা পেশাগুলোয় ২২ থেকে ২৫ বছর বয়সী কর্মীদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা এআইয়ের প্রভাব কম থাকা পেশার তুলনায় ১৯ শতাংশ কম।
তরুণদের কর্মসংস্থানের এই ব্যবধান আগের তুলনায় আরও বেড়েছে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই ব্যবধান ছিল ১৩ শতাংশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের কারণে এই ব্যবধান বা বৈষম্য আরও প্রসারিত হচ্ছে বলে গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে।
ইনডিডের তথ্য অনুযায়ী, জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের চাকরির বিজ্ঞপ্তি বেড়েছে এবং প্রবেশ পর্যায়ের চাকরির বিজ্ঞপ্তি কমেছে। ব্লুমবার্গের সূত্রে পাওয়া তথ্যে আরও দেখা যায় যে, ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত আগের এক বছরের তুলনায় জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের চাকরির বিজ্ঞপ্তি ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
তবে একই সময়ে প্রবেশ পর্যায়ের চাকরির বিজ্ঞপ্তি ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমে গেছে। সব মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই অগ্রগতির ফলে সামগ্রिकভাবে কর্মসংস্থানের বাজারে জ্যেষ্ঠ ও প্রবেশ পর্যায়ের কর্মীদের সুযোগের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।








