ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট করতে আইডিবির সঙ্গে চুক্তি সই
ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে ১.০০৪২৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আইডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে এই চুক্তি সই হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ইস্টার্ন রিফাইনারির (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের (দ্বিতীয় ইউনিট) জন্য ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১.০০৪২৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
রাজধানীর ঢাকায় অবস্থিত সচিবালয়ে ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই চুক্তি সই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং আইডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের। তাদের উপস্থিতিতেই এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আনাসে আইসামি, প্রকৌশলী মো. শরীফ হাসনাত ও আছমা আরা বেগম এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন।
এই চুক্তির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল), যা দেশের জ্বালানি খাতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘকাল ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে আসছে এবং এর কার্যক্রম আরও বাড়ানোর জন্য এই আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
ইতিহাসের দিক থেকে, ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি (ইআরএল) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি দেশের তেল শোধন প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে।
তবে সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা রয়েছে ১৫ লাখ টন।
আইডিবি’র সঙ্গে এই নতুন ১.০০৪২৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি তেল পরিশোধন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।








