আয়কর রিটার্নে যেভাবে দিতে হয় জীবনযাত্রার খরচের হিসাব
বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আয় ও সম্পদের পাশাপাশি জীবনযাত্রার খরচের তথ্য দিতে হয়। করদাতার ব্যয় ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা যাচাই করতেই এই তথ্য নেওয়া হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় করদাতাদের আয় ও সম্পদের পাশাপাশি জীবনযাত্রার বিভিন্ন খাতের খরচের হিসাবও প্রদান করতে হয়। প্রথম আলো ও চ্যানেল ২৪-এর প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূলত একজন করদাতার জীবনযাত্রার ব্যয় তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা গভীরভাবে যাচাই করা হয়ে থাকে।
নিয়ম অনুযায়ী, করদাতার দৈনন্দিন ও বার্ষিক জীবনযাত্রার খরচের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ রিটার্নে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। করদাতার প্রকৃত ব্যয় এবং আয়ের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার জন্যই মূলত এই খরচের হিসাব বা তথ্য নেওয়া হয়ে থাকে।
রিটার্ন দাখিলের সময় জীবনযাত্রার খরচের বিভিন্ন খাতের মোট ৯ ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করতে হয়। এই ৯টি খাতের মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার খরচ।
বাজার খরচের পাশাপাশি রিটার্নে বাসাভাড়ার হিসাবও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয়। এছাড়া ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কাজে গাড়ি ব্যবহারের বিভিন্ন খরচও এই ৯ খাতের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জীবনযাত্রার ব্যয়ের বিবরণীতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও টেলিফোনের মতো বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধের তথ্য দিতে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সন্তানদের পড়াশোনা বা সামগ্রिक শিক্ষা সংক্রান্ত ব্যয়।
পরিবারের সদস্যদের অবকাশ যাপন কিংবা অন্য কোনো কারণে হওয়া ভ্রমণ খরচও এই তালিকায় রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন উৎসব এবং আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতদের মাঝে দেওয়া উপহারের খরচের হিসাবও দিতে হয়।
এই ৯ খাতের পরিশেষে সরকারকে পরিশোধিত কর এবং যেকোনো ধরনের ঋণের বিপরীতে দেওয়া সুদের পরিমাণের তথ্যও আয়কর রিটার্নে জীবনযাত্রার খরচের অংশ হিসেবে প্রদান করতে হয়।








