আশা ইউনিভার্সিটিতে নবীনবরণ–২০২৬ অনুষ্ঠিত
আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে নবীনবরণ–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য এস এম রেজাউল করিম।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে নবীনবরণ–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার শ্যামলীর আশা টাওয়ারে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে এই বিশেষ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এছাড়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য এস এম রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক বলেন, বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। আমরা শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের প্ল্যান করেছিলাম এবং তা বাস্তবায়ন করেছি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলার এক্সপার্টদের সহায়তায় সরকার প্রায় ৩২ কোটি বই ছাপাতে যাচ্ছে। পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের আধুনিক জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধ অর্জন করতে হবে। আশা ইউনিভার্সিটি শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আমরা মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করতে যাচ্ছি, যা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মাদ ফারুক, মো. জাফর সিদ্দিক, অধ্যাপক এ কে এম হেলাল উজ জামান, মোহাম্মাদ কাউছার ও তাহমিনা আলি বন্যা। তারা সবাই নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন। আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
নবীনবরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো আশা টাওয়ার প্রাঙ্গণ ও আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নতুন শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম দিনে এমন একটি সুন্দর আয়োজনে অংশ নিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন।








