আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এআই কনটেন্ট লেবেল আনছে হোয়াটসঅ্যাপ
হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিও শনাক্ত করতে নতুন একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে মেটার জনপ্রিয় এই ম্যাসেজিং অ্যাপটি। আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে এই 'এআই কনটেন্ট লেবেল' ফিচারটি চালু করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জনপ্রিয় ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নতুন এক পদক্ষেপ নিয়েছে। মেটার মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য 'এআই কনটেন্ট লেবেল' নামক একটি নতুন ফিচার নিয়ে কাজ শুরু করেছে। মূলত ডিজিটাল মাধ্যমে ভুয়া বা এআই-নির্মিত কনটেন্টের বিস্তার রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন খবরের সূত্রে জানা গেছে, এই নতুন ফিচারটির মাধ্যমে আইফোন ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই বুঝতে পারবেন কোনো ছবি বা ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি কি না। বিশেষ করে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
বর্তমানে ফিচারটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের আইওএস বেটা সংস্করণের ২৬.৩৪.১০.৭০ আপডেটেই এই ফিচারটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এটি এই মুহূর্তে সবার জন্য উন্মুক্ত নয়, বরং নির্দিষ্ট কিছু টেস্টফ্লাইট ব্যবহারকারীর জন্যই কেবল সীমিত রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে এই 'এআই কনটেন্ট লেবেল' ফিচারটি শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর ফলে চ্যানেল অ্যাডমিনরা তাদের প্রকাশিত কোনো ছবি বা ভিডিও এআই-জেনারেটেড কিংবা এডিটেড হলে তা নির্দিষ্ট ট্যাগের মাধ্যমে চিহ্নিত করতে পারবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং ভুয়া কনটেন্টের ছড়াছড়ি উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপ ডিজিটাল নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি সময়োপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে কবে নাগাদ সাধারণ আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এই ফিচারটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ কর্থৃপক্ষের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। বর্তমানে পরীক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।








