আইপডের যুগ থেকে তারহীন ইয়ারবাড ও আইইএমের দীর্ঘ বিবর্তন
মিড-২০০০ এর আইপডের যুগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তারহীন ইয়ারবাড ও ইন-ইয়ার মনিটরের প্রযুক্তিতে এসেছে অভাবনীয় পরিবর্তন। বর্তমানে কম দামি মডার্ন ইয়ারবাডগুলোও আগের তুলনায় অনেক উন্নত মানের অডিও প্রদান করছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

মিড-২০০০ এর আইপডের যুগ থেকে শুরু করে বর্তমান ২০২৬ সাল পর্যন্ত তারহীন ইয়ারবাড এবং ইন-ইয়ার মনিটর বা আইইএম-এর প্রযুক্তিতে এসেছে এক বিশাল বিবর্তন। অ্যাপল, সনি, বোস এবং অ্যাংকরের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাত ধরে এই খাতের বাজার ও প্রযুক্তির রূপরেখা সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
প্রযুক্তির এই দীর্ঘ যাত্রায় স্টিভ জবসের হাত ধরে আত্মপ্রকাশ করা আইটিউনস এবং আইপডের যুগ থেকে আজ তারহীন প্রযুক্তির রমরমা বাজার তৈরি হয়েছে। সেই সময়ের আইপডের সঙ্গে যে সাধারণ ইয়ারবাডগুলো আসত, আধুনিক যুগের কম দামি ইয়ারবাডগুলো তার তুলনায় অনেক উন্নত মানের অডিও সাউন্ড কোয়ালিটি প্রদান করতে সক্ষম।
বর্তমান বাজারে ট্রু ওয়্যারলেস স্টেরিও বা টিডব্লিউএস ইয়ারবাডগুলোতে যুক্ত হয়েছে নানাধरণের অত্যাধুনিক ফিচার। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন বা এএনসি, অ্যাম্বিয়েন্ট অডিও পাসথ্রু এবং স্পেশাল অডিওর মতো আধুনিক সুবিধা ব্যবহারকারীদের শোনার অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুন এক মাত্রায় নিয়ে গেছে।
বাজারে বাজেটবান্ধব পণ্যের ক্ষেত্রেও রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্র্য। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাংকরের সাউন্ডকোর স্পেস এ৪০ তারহীন ইয়ারবাডের বাজেট বিকল্প হিসেবে বাজারে পাওয়া যায়, যার মূল্য মাত্র ৫৫ ডলার। এ ছাড়া বাজেট-সচেতন ক্রেতাদের জন্য হেডফোন্স ডট কম-এর পক্ষ থেকে ২০ ডলারের একটি সাশ্রয়ী মূল্যের পরামর্শও রয়েছে।
অন্যদিকে, ইন-ইয়ার মনিটর বা আইইএমগুলো ইয়ারবাডের তুলনায় কানের খালের ভেতরে আরও গভীরভাবে বসে। এই ডিভাইসগুলো এএনসি প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে মূলত প্যাসিভ নয়েজ ক্যানকেলিং বা নিষ্ক্রিয় শব্দরোধী ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে বাইরের শব্দ নিয়ন্ত্রণ করে।
অডিওফাইল বা সংগীতশিল্পীরা আইইএম নির্বাচনের সময় সাধারণত ৫০০ ডলারের নিচেই নিজেদের বাজেট সীমাবদ্ধ রাখতে পছন্দ করেন। এনগ্যাজেটসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এই পুরো বাজার ও পণ্যের বিবর্তন নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা করে আসছে।








