অ্যাপলের ডেটা কনসেন্ট পপ-আপ নিয়ে জার্মানির অভিযোগ
জার্মানির ফেডেরাল কার্টেল অফিস অ্যাপলের বিরুদ্ধে ডেটা কনসেন্ট পপ-আপে পক্ষপাতমূলক ডিজাইনের অভিযোগ তুলেছে। অ্যাপলকে আগামী চার মাসের মধ্যে এই ডিজাইন ও ভাষা পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

জার্মানির প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যাপলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছে। সংস্থাটির মতে, অ্যাপল তাদের ডেটা কনসেন্ট পপ-আপের এমন একটি ডিজাইন ব্যবহার করেছে যা তাদের নিজস্ব অ্যাপগুলোকে বাড়তি সুবিধা দেয় এবং অন্যদের তুলনায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করে।
জার্মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডেরাল কার্টেল অফিস (Bundeskartellamt) এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে অ্যাপলের পপ-আপের ভাষা ও নকশা এমনভাবে তৈরি যা ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং নিজেদের সেবার প্রতি পক্ষপাতমূলক মনোভাব প্রকাশ করে।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অ্যাপলকে কঠোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। জার্মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী চার মাসের মধ্যে অ্যাপলকে তাদের এই ডেটা কনসেন্ট পপ-আপগুলোর ডিজাইন এবং ব্যবহৃত ভাষা আপডেট করতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
উল্লেখ্য যে, এই পুরো বিষয়টি জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রযুক্তি বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নীতি সংক্রান্ত আলোচনার একটি অংশ হিসেবে সামনে এসেছে। এর আগে অ্যাপল ট্র্যাকিং ট্রান্সপারেন্সি প্রম্পটগুলোর কারণে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলোর প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ হওয়ার প্রসঙ্গ বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে এসেছে, যার সাথে গুগল, প্যালানটির, কমকাস্ট এবং ওয়ার্নার ব্রস ডিসকভারির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নামও জড়িত রয়েছে।
তবে বর্তমান এই নির্দিষ্ট ঘটনায় জার্মানির ফেডেরাল কার্টেল অফিসের মূল লক্ষ্য হলো অ্যাপলের নিজস্ব অ্যাপের পক্ষে যাওয়া পক্ষপাতমূলক পপ-আপ ডিজাইন পরিবর্তন করা। দ্য ভার্জ এবং রয়টার্সসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্টিভ বনিফিল্ডের মতো সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণকারী ব্যক্তি ও সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলকে এখন নির্ধারিত চার মাসের মধ্যেই তাদের এই কনসেন্ট পপ-আপের নীতিমালা ও দৃশ্যমান রূপ পরিবর্তন করতে হবে।
জার্মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রযুক্তি বাজারে ডেটা সংগ্রহ ও ব্যবহারকারীর সম্মতির বিষয়টি আরও কড়াকড়ির মধ্যে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার বিষয় অ্যাপল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কীভাবে তাদের সিস্টেমে এই পরিবর্তন আনে।








