অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার জন্য কাগজপত্র জমা দিতে নির্দেশ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারীদের বকেয়া অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা ও সংশোধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রায় চার-পাঁচ বছর পর ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী এই সুবিধার আওতায় এসেছেন। গত ১৫ আগস্ট ঢাকায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বকেয়া অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা প্রাপ্তির জন্য কাগজপত্র জমা এবং সংশোধনের নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট।
দীর্ঘ প্রায় চার-পাঁচ বছর পর দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৭০ হাজার ১১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী তাদের অবসর সুবিধার জমানো টাকার একটি অংশ অবশেষে হাতে পেয়েছেন। এই দীর্ঘ বিরতির পর অর্থপ্রাপ্তির ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ পাঠানোর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
তবে যাদের এখনও অর্থ প্রাপ্তি বাকি রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অবসর সুবিধার জন্য আবেদন করার পরও যারা এখনো কোনো টাকা পাননি, তাদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র বোর্ডে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় কোনো ভুলত্রুটি থাকলে তা যথাযথভাবে সংশোধন করে নিতে হবে। সঠিক ও ত্রুটিমুক্ত কাগজপত্র বোর্ডে জমা পড়লে দ্রুত সময়ের মধ্যে তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় এস এম আলমগীর কবীরসহ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা দ্রুত পরিশোধের বিষয়টি তদারকি করছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া অর্থ প্রাপ্তির এই কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।








